Home Career যারা টেক্সটাইল থেকে ফ্রেশার বের হয়েছে বা সম্প্রতি বের হবে,তাদের করনীয় !!

যারা টেক্সটাইল থেকে ফ্রেশার বের হয়েছে বা সম্প্রতি বের হবে,তাদের করনীয় !!

শিরোনাম:

সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে ফ্যাশনেবল এবং আধুনিক বিশ্বে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করে বের হওয়া একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সুবিস্তৃত। টেক্সটাইল সেক্টর প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মেডিকেলের উপকরণ, অটোমোবাইল, মহাকাশ, জিও টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন সেক্টরে টেক্সটাইলের ব্যবহার বাড়ছে। আজকাল উন্নত দেশগুলোতে মাইক্রোচিপ থেকে শুরু করে বিশাল ভবন, সেতু, অস্ত্রের কাঠামো, বুলেটরোধী পোশাক—এসব মিশ্র বস্তু উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ফাইবার দিয়ে করা হচ্ছে। দিন যত যাবে, টেক্সটাইলের ব্যবহার বাড়তেই থাকবে। কিন্তু তার তুলনায় আমাদের দেশে যে পরিমাণ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন, তার অর্ধেকও আমরা জোগান দিতে পারছি না। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করে যে কেউ খুব সহজেই পোশাকশিল্পের কাজে নিজেকে জড়াতে পারেন। নিম্নে যারা টেক্সটাইল থেকে সম্প্রতি বের হয়েছে বা বের হবে তাদের চাকরির ক্ষেত্র এবং করণীয় সমূহ আলোচনা করা হল।

ফ্রেশার বা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির ক্ষেত্র:

কাজের ক্ষেত্র: টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বড় বাজার। সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশী-বিদেশী টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্পে ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে বড় বড় পজিশনে কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যে কোনো ছোট-বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচনাকরা হয়। এছাড়া বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিংসহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানেও তারা কাজ করে থাকেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব ও বেসরকারি ব্যাংক এবং শিল্পঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলোর শিল্পঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে শুধু দেশের অভ্যন্তরেই তাদের জন্য রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র। এছাড়া বিশ্বের নামীদামী মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি গুলোতেও চাকরির সুযোগ রয়েছে।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে যারা ফ্রেশার বের হয়েছে বা বের হবে তাদের করণীয় সমূহ ফাইনাল বর্ষে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের করণীয় সমূহ:

যে সকল ছাত্র ছাত্রী ফাইনাল বর্ষে পড়াশোনা করছেন আপনারা নিজেকে তখন থেকেই ভবিষ্যতের টেক্সটাইল সেক্টরে যোদ্ধা মনে করে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিন্মের কারণ সমূহ আয়ত্ব করা।

১. যে সকল ছাত্র ছাত্রী ফাইনাল বর্ষে পড়ালেখা করছেন তাদের উচিত বিগত সেমিস্টারের সকল টেক্সট বই রিভিউ দেওয়া। এতে আপনার পিছনের পড়া গুলো আপনার আয়ত্তে থাকবে এবং কনসেপ্ট ক্লিয়ার থাকবে।
২. টেক্সটাইল এর বেসিক প্রশ্নাবলী ভালোভাবে পূর্ব থেকে আয়ত্ত করা। এতে আপনি ভাইভা পরিক্ষায় নিজেকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখতে পারবেন।
৩. সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন চাকরির প্রশ্ন সমূহ সমাধান করা। এতে আপনি বিভিন্ন চাকরি পরিক্ষার সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা রাখতে পারবেন।
৪. কম্পিউটার এর জ্ঞান পূর্ব থেকে আয়ত্ত করা। এতে আপনি এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে অন্যের চাইতে প্রতিযোগিতায় অনেক বেসি এগিয়ে থাকবেন।
৫. টেক্সটাইল এ পড়াশোনা করার পাশাপাশি আপনি যদি টেক্সটাইল সম্পর্কিত বিভিন্ন সংগঠন, পেইজ,ওয়েবসাইট এবং যারা টেক্সটাইল পেশায় নিযুক্ত আছেন তাদের সাথে যুক্ত হন তাহলে এই সেক্টরের বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন এবং আপনাদের রিসার্চ করতে আরো বেশি সুবিধা হবে। এবং এতে আপনার লিডারশীপ স্কিল বৃদ্ধি পাবে।
৬. ইংরেজি ভাষাসহ অন্যান্য বিদেশি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা অর্জন করা। কারণ টেক্সটাইল হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস। তাই আপনাকে বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী হতে হবে।
৭. ক্যাম্পাসের যে সকল বড় ভাই বের হইয়ে গেছে তাদের সথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা।

ইন্টার্ণশিপ বা শিক্ষানবিশ ছাত্র-ছাত্রীদের করণীয় শিক্ষানবিশ শিক্ষার্থীদের যেসকল দিক গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখার উচিত তা হল-

১. ফ্যাক্টরির সকল নিয়ম কানুন বুঝিয়ে নেওয়া এবং তা মেনে চলাঃশিক্ষানবিশ শিক্ষার্থীদের উচিত নিজ নিজ ট্রেনার এর নি‌‌‌র্দেশনা অনুযায়ী ফ্যাক্টরির সকল নিয়ম কানুন মেনে চলা।
২. প্রতিটা সেকসন এ ঢুকে আগে কি কি করবা তা প্লান করে কাজ শুরু কোরো তাতে সময় নস্ট হবে না।
৩. Factory তে এলোমেলো ঘুরাঘুরি বা হেলান দিয়ে দাঁড়ানো আভদ্রতা, এই বিষয় গুলি ফেক্টরিতে ভালো চোখে দেখা হয় না, তাই এই গুলি পরিহার করতে হবে যেনো চলাচলে স্টেন্ডার্ড বজায় থাকে এবং কারো সামনে ছবি তোলা পরিহার করতে হবে, কারো সামনে ছবি তোলা অন্যায়। এতে ফেক্টরি প্রাইভেসির বিষয় জড়িত।
৪. বিভিন্ন তথ্য জানতে প্রোডাক্টসন খাতা, পোস্টার, দেয়াল এর নোটিশ এ দেখতে হবে, এখান থেকে ভালো তথ্য, প্রসেস, ইন্সট্রাকশন নিতে পারবেন। এবং কোন বাক্তিগত ডাটা নাদিলে জোর কারা যাবে না, প্রাইভেসির প্রতি সম্মান দেয়ার চেস্টা করুন।
৫. জব খোজা আগেই শুরু করা ভাল, ইন্টার্ন প্রিয়ড থেকে নিজেকে জবের জন্য প্রস্তুত রাখুন এমনো সুযোগ হতে পারে যে আপনি ইন্টার্ন অবস্থায় জব পেয়ে যেতে পারেন।
৬. সবকিছু To the Point নোট করতে হবে বাসায় গিয়ে আবার ড্রাফট থেকে ডাইরিতে পার্সোনাল নোট করতে হবে যা আপনার সারা জীবনের সংগী হয়ে থাকবে। সাথে স্যাম্পল সংগ্রহ করতে হবে এবং তা ডাইরিতে সোয়াচ আকারে লাগিয়ে রাখতে হবে।
৭. নিয়মিত University Supervise Tecacher এর সাথে communicate করতে হবে। তার কাছে আপডেট দিতে হবে এবং কাজের ফিউচার প্লান গুলি নিতে হবে প্রজেক্টের বিষয়ে টাইমটু টাইম আপডেট দিতে হবে তাকে। যা ৮০% ইন্টার্ন স্টুডেন্ট করেন না।
৮. ফ্লোর কি ভাবে Manage করতে হয় তা জনবা বিশেষ করে ফ্লোর অপারেশন, সিস্টেম, অর্গানোগ্রাম।
৯. কি কি ফল্ট হয় তা কি ভাবে Solve করতে হয় তা শেখা কারন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দের কাজ করতে হয় না করাতে হয় তাই কাজ আগে বুঝা।
১০. ফ্লোর এর ক্যাল্কুলেশন গুলি ভালো মত মুখস্থকরবা, যেমন প্রডাকশন ক্যাল্কুলেশন, প্রসেস ক্যাল্কুলেশন।
১১. Attachment and Project এর কাজ আগে থেকে শুরু করতে হবে, দেরি করা যাবে না। কারন ফেক্টরি থেকে বেরিয়ে গেলে আর ফেক্টরীতে ঢোকা যাবে না আর না ঢুকলে ভালো করে প্রজেক্ট এবং ফেক্টরি রিপোর্ট করতে পারা যায় না। এবং Industrial Attachment এ ওই Floor এর কি কি প্রব্লেম আসে বা কি কি কারা যেতে পারে তার সম্পর্কে ধারোনা দিতে হবে। তাহলে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করা যায়।
১২. দিন শেষে যখন বাসায় যাবে সারা দিন কি করলা বা কি শিখলা তার মুল্যায়ন করবা। পরের দিন যখন আসবা কি শিখবা বা কি প্রশ্ন করবা কোথায় ঘুরবা তার প্লান আগে করতে হবে।

ইন্টার্নিশিপ শেষ করার পর একজন ফ্রেশারের করণীয়:

১. চাকরির জন্য তারাহুরো না করে নিজেকে চাকরির জন্য ভালো ভাবে প্রস্তুত করে তুলতে হবে।
২.নিজের বায়োডাটা বা সিভি সুন্দর ভাবে প্রস্তুত করে রাখা। মনে রাখতে হবে সিভি যদি সুন্দর হয় আপনি সহজেই কোম্পানির নজরে আসতে পারবেন।
৩. চাকরির জন্য বিভিন্ন অনলাইন নিউজ মিডিয়ায় বিজ্ঞপ্তি সমূহ ভালো ভাবে যাচাই করে ইন্টারভিউ তে অংশ গ্রহণ করতে হবে। তবে রেফারেন্স থাকলে ভালো হয়।
৪. আপনার Textile রিলেটেড যেকোন জায়গায় চাকরির সুযোগ হলে, জাস্ট চোখ বন্ধ করে জয়েন করে ফেলুন ( যদি এমন সুযোগ আপনার আসে)। জয়েন করার পর সেখানে কর্মরত অবস্থায় আপনার স্বপ্নের ডিপার্টমেন্টের জন্য জব খুজতে থাকুন। পছন্দের জায়গা মতন জব হয়ে গেলে দরকার হলে যেখানে কর্মরত আছেন সেটা ছেড়ে দিবেন।

চাকরিতে জয়েন্ট করার পর একজন ফ্রেশারের করনীয়:

১. নিজের দায়িত্ব যথাযথ বুঝে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে চাকরি ছোট বা বড় যা-ই হোকনা কেন কখনো দায়িত্বের অবহেলা করা যাবেনা।
২. আপনার নিজের ঊর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশ অবশ্যই মেনে চলতে হবে। কখনো অমান্য করা যাবেনা।
৩. আপনার কাজ আপনি যথাযথ পালন করতে হবে। এবং আপনি আপনার অধিনস্থ শ্রমিক দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের আগে কাজ শেষ করে আপনার দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে।
৪. আপনার লিডারশীপ স্কিল বা নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করে নিতে হবে।
৫. আপনি সর্বদা আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগাযোগ রাখা উচিত। এতে আপনি দ্রুত তাদের নজরে আসতে পারবেন।
৬. দূর্যোগকালের পোশাকগুলো নিয়ে বিস্তার গবেষণা করা।যেমনঃ করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষাকারী পোশাক হিসেবে পিপিই ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য দূর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে অন্য কোনপোশাক ব্যবহৃত হতে পারে কিনা তা যাচাই করার চেষ্টা করা ও সবার সামনে উপস্থাপন করা।
৭. আপনি যে কাজটি করবেন তার ক্রেডিট নিজে নিতে চেষ্টা করবেন। কারণ এরকম অনেকে আছেআপনার কাজের ক্রেডিট নিতে।
৮. মনে রাখবেন আপনার বেতন যা-ই হোকনা কেন আপনি ১০০% অ্যাফর্ট দিয়ে কাজ করবেন। অনেক ফ্রেশারদের দেখাযায় বেতন কম বলে কাজে তেমন মনোযোগ দেয়না। আর এতে আপনার কার্য দক্ষতা উন্নয়ন হয়না।
৯. আপনি Time Management skill এ অনেক বেশি নজর দিতে হবে।মনে রাখবেন আপনি যত অল্প সময়ে অধিক উৎপাদন দিতে পারবেন। কোম্পানি তত বেশি লাভবান হবে। এবং কোম্পানিও আপনাকে নিয়ে পজিটিভ কিছু ভাবতে থাকবে।
১০. নির্দিষ্ট কাজের জন্য উপযুক্ত নতুন বস্ত্রের উন্নয়ন এবং বিদ্যমান বস্ত্রের জন্য নতুন ডিজাইন আনয়নের চেষ্টা করা এবং পণ্যের গুনগত মান অবশ্যই অবশ্যই রক্ষা করা।
১১. সর্বোপরি আপনার কোম্পানির উন্নতির জন্য নিজেকে সর্বদা উজার করে দিবেন।যাতে কোম্পানি মনে করে আপনি কোম্পানির জন্য ডেডিকেটেড। এবং আমরা পোশাক শিল্পে যে অবস্থানে আছি তা ধরে রেখে দেশকে আরো সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা।

ফ্রেশার টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কিছু ভ্রান্ত ধারণা এবং জব ছেড়ে দেয়ার কারন:

বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দের ক্ষত্রে দেখা যায় তারা ফ্রিকুয়েন্টলি জব চেঞ্জ করেন এর মুল কারন গুলি হল-

১. বস ভালো না এ অজুহাত: এটি একজন ফ্রেশার এর কমন বানী যে তার সিনিয়র ভালো না আর অকারনেই বকে। একজন ফ্রেশার এর কাছে যে গুলি অকারন সেটাই টেক্সটাইল এর জন্য অনেক বড় কারন অনেক ক্ষত্রে দেখাযায় যে আমাদের ফ্রেশার দের টেকনিকাল কোয়ালিটি আশানুরূপ হয় না আর নতুন অবস্থায় তারা যথেষ্ট ফ্রাস্টেশনে থাকে তাই তাদের পারফোরমেন্স এর উপর সিনিয়র দের যথেষ্ট ট্রাস্ট থাকে না তাই তারা মাঝে মাঝে কিছুটা রাফ আচরন করে ফেলেন এটা কিন্তু সিনিয়র এর সমস্যা নয় এই ফ্রেশার এর সমস্যা তাই নিজ সমস্যা অন্যকে চাপিয়ে দিয়ে জব ছাড়ার মানে হয় না।
২. ছুটি না থাকা ডিউটি ডিউরেশন এর অজুহাত: লং ডিউটি ডিউরেশন একটি টেক্সটাইল জবের মেজর সমস্যা, নন কম্পলায়েন্স ফেক্টরি গুলিতে ১২ ঘন্টা করে শিফটিং যা যথেষ্ট কস্ট দায়ক আর IE এর জব গুলিতে ১৪ ঘন্টা করে ডিউটি এটা আমাদের কমন সমস্যা এ ক্ষত্রে জব না ছেড়ে দিয়ে কম্পলায়েন্স ফেক্টরির জব যেখানে ৮ ঘন্টা শিফটিং সেই অর্গানাইজেশন গুলি বেছে পরে জয়েন করা উচিৎ।
৩. সেলারি কম এর অজুহাত: এটা ও আমাদের কমন সমস্যা কারন স্টুডেন্ট লাইফে টেক্সটাইল জবের এর স্যালারি এবং ফ্যাসিলিটি নিয়ে কিছু মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, চটকদার কথা শুনে যা বাস্তব কর্মক্ষত্রে তারা মিল পায় না তাই আরো ফ্যাসিলিটি আছে বলে মনে করে আর ফ্রিকুয়েন্টলি জব চেঞ্জ করে থাকে তারা যখন অনেক গুলি জব চেঞ্জ করে তখন তারা রিয়েলিটি ফিল করে তবে ততো দিনে অনেক দেরি হয়ে যায়।
৪. কাজের প্রেসার এর অজুহাত: টেক্সটাইল জবের এর অন্য নাম হচ্ছে চাপ যুক্ত কাজ আর চাপ ছাড়া কোন টেক্সটাইল জব আছে বলে আমাদের জনা নাই তাই প্রত্যেক টেক্সটাইল জব সার্কুলারে লেখা থাকে Have to work underpressure এটা টেক্সটাইল জবের প্রাইমারী ক্রাইটেরিয়া। ফ্রেশার দের ক্ষত্রে দেখা যায় নতুন অবস্থায় কাজ মনে রাখতে পারে না তাদের কাছে অনেকটা প্রেশার মনে হয় কিন্ত এটি বয়স এ এর সাথে সাথেঠিক হয়ে যায়। আস্তে আস্তে চাপ নেয়া এবং মুখস্থ বলার দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
৫. ইনক্রিমেন্ট কম বা প্রমোশন না হওয়ার অজুহাত: টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস জবে আপনার ইনক্রিমেন্ট, প্রমোশন নির্ভর করে আপনার সিনিয়র এর সুপারিশ এবং আপনার কর্মদক্ষতা উপর। আপনি ঘোরাঘুরি করে ভালো প্রমোশন কি করে আশা করেন। আর সিনিয়র এর সাথে সুসম্পর্ক না রাখলে মালিক আপনার আত্মীয় হলেও সুপারিশ ব্যাতিত প্রমোশন সম্ভব নয়। আপনার প্রমোশন না হওয়ার পেছনে অনেকাংশে আপনি নিজে এবং আপনার কর্মকৌশল দায়ী।

উপসংহার:

জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা পোশাক ছাড়া কল্পনাই করতে পারি না। তাই এই সেক্টরের চাহিদার শেষ নেই। সুতরাং নবীন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের উচিত হতাশ না হয়ে উপরোক্ত করণীয়সমূহ যথাযথ পালন করে নিজেদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া। আর এই সেক্টরকে নিয়ে যতদূর এগিয়ে যাওয়া যায় তার সর্বাত্নক চেষ্টা করা প্রত্যেকটি টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

Writers information:

1. SAMIM OSMAN (Southeast University)
2. SADIA TAMANNA BINTE TAIFUR (Bangladesh Home Economics College)
3. MD RAISUL ISLAM RIFAT (Daffodil International University)
4. ABDULLAH MEHEDI DIPTO (Primeasia University)
5. MD NAZMUL HASAN (Green University of Bangladesh)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Post

Most Popular

Related Post

Related from author