“শাড়িই নারীর ভূষণ এবং শাড়ি নারীর কদর”

0
900

শাড়ি হল এমন একটি জিনিস যা বাংলার মেয়েদের রূপকে সুন্দর করে তোলে। শাড়ি পারে একটি মেয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে। আর বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরতে অনেক পছন্দ করে। যেমন পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, এছাড়া অনেক অনুষ্ঠানে তারা শাড়ি পরিধান করে। এক কালে বাংলার মেয়েরা সব সময় শাড়ি পরিধান করতো। কিন্তু এখন বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস  আর ম্যাক্সি আশায় মেয়েরা শাড়ি কম পরিধান করে। কিন্তু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তারা বিভিন্ন ধরনের রংবে রঙ্গের শাড়ি পরিধান করে। যেমন তাঁতের শাড়ি, কাতান শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের সিল্ক শাড়ি, এছাড়া এখন নতুন পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক এর শাড়ি, এছাড়া নকশী শাড়ি ও পাওয়া যায়, মেয়েরা তাদের শাড়িতে নিজের ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে, কেউবা তলে ফেব্রিক এর মাধ্যমে রং তুলি দিয়ে আবার কেউবা তোলে সুই সুতা দিয়ে নিজের মতো করে। এগুলো শাড়ি পরলে মেয়েদের সৌন্দর্য তা অনেক গুণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বেনারসি, জামদানি, মসলিন শাড়ি, জর্জেট শাড়ি এগুলো বাংলার নারীরা  পরিধান করে। এছাড়া এখনকার মেয়েরা নিজের পছন্দমত শাড়িতে চুমকি এবং জরি দিয়ে বিভিন্ন রূপে শাড়ীকে সাজ্জিত করে। কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বাংলার রূপ বৈচিত্র, আবার কোন শাড়িতে  পাওয়া যায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের ছবি। যা বাংলার প্রাচীন বাংলাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সবার মাঝে। বিদেশেও শাড়ির প্রচলন রয়েছে। তারাও এগুলো শাড়ি পড়তে খুব পছন্দ করে। কারণ কথায় আছে শাড়ি নারীর ভূষণ। 

শাড়ি এমন একটি জিনিস যা নারীদের রূপ বৈচিত্র কে এক নতুন রূপে  সজ্জিত  করে এছাড়া শাড়ি হল আমাদের প্রাচীন বৈশিষ্ট্য টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম। বারো হাত শাড়ি যা নারীদের সৌন্দর্যকে করে তোলে এক অপরূপ বৈচিত্রে যা অন্য পোশাক পড়লে নারীকে এতটা সুন্দর কখনো লাগবেনা তাই বলা হয়  শাড়ি ছাড়া নারীকে অন্য  পোশাকে কোনদিনই মানাবে না। তাই বাংলা রূপ বৈচিত্র কে টিকিয়ে রাখতে হলে শাড়ির কোন বিকল্প উপায় নেই। সবার একটি কথাই মেনে চলতে হবে শাড়ির মাধ্যমেই আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে পারব। আর শাড়ির কদর শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বব্যাপী শাড়ির  কদর অপরিসীম।

 বাংলার মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের পার্বণে শাড়ি পরিধান করে। যেমন: বিবাহ, সাধ, অন্নপ্রাশন, এছাড়াও মুসলমানিতে তারা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পরিধান করে। বিভিন্ন উৎসব মানেই মনে হয় নারীদেরশাড়ির কদর বোঝা যায়। শাড়ির দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় নারীদের। যা দেখলে বোঝা যায় বাংলাদেশের শাড়ির কত কদর।এছাড়া বাংলাদেশি শাড়ি বিশ্ব অনেক প্রচলন আছে।বাংলার জামদানি মসলিন কাতান যা অন্য দেশের  থেকে অনেক গুনে ভালো যার কদর সারা জীবনই অনেক রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা শাড়ির জন্য বিখ্যাত। এগুলো শাড়ি বিশ্বে রপ্তানি হয়ে বাংলা রপ্তানি ভাগকে অনেক  এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ফলে বাংলাদেশে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।    তাই কথায় বলা হয় শাড়ি নারীর ভূষণ এবং শাড়িই নারীর   কদর। 

Writer Information:
Antor Saha
Department of Textile Engineering 
BGMEA University of Fashion & Technology (BUFT)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here