Thursday, June 13, 2024
More
    HomeRMGপরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ার পোশাক খাতে গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে

    পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ার পোশাক খাতে গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে

    পরিবেশ-বান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়া হলো এমন প্রক্রিয়া যেখানে পন্য উৎপাদন এ পরিবেশে যার কোনো ক্ষতিকর প্রভাব থাকবে না ভবিষ্যতে ।বর্তমান বিশ্বে পরিবেশ দূষণ এর ফলে অনেক সমস্যা দেখা যাচ্ছে।
    ভবিষ্যৎ এ ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে,ফলে
    এখন থেকেই সচেতন হওয়া প্রয়োজন। পোশাক প্রস্তত প্রকিয়ার এর গুরুত্ব অনেক।বলা হয়ে থাকে যে,বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দূষণের উৎস হল পোশাক।এই দূষণ প্রধানত উৎপাদিত পণ্যের সমগ্র উৎপাদন প্রকিয়া জুড়েই ঘটে।

    বর্তমানে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় কিভাবে আমরা আরএমজি সেক্টরের এর মান ধরে রাখতে পারি এবং তার সাথে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদও রক্ষা করতে পারি। পোশাক রং করার ক্ষেত্রে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে ভালো ব্যবস্থাপনার অভাবে পানির উৎসের দূষণ অনেক বেশি হারে বেড়ে গিয়েছে। এছাড়াও রং করার সময় ব্যবহার করা রাসায়নিক পদার্থও ক্ষতিকর অনেক। এরা সাধারণত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে। আবার অনেক বিষাক্ত পদার্থ আশেপাশের মাটি এবং পানিতে প্রবেশ করে।

    আরএমজি খাতে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে যত সময় যাচ্ছে। গার্মেন্টস মালিকরা এই বৃদ্ধি ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তারা আধুনিক পদ্ধতিতে পানি ও অন্যান্য খরচ কমিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে। যাতে পরিবেশ এও খারাপ প্রভাব ফেলবে না এবং পন্যের গুনগত মান ও ভালো থাকবে।

    পরিবেশের উপর পোশাক উৎপাদন প্রক্রিয়ার নেতিবাচক প্রভাব কমাতে পারে এমন সমাধান হলো, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় এনজাইমের ব্যবহার। এটি পোশাক খাতের ভেজা প্রক্রিয়াকরণে দুই-তৃতীয়াংশ পানি ব্যবহার এ নিয়ে আসে এবং এতে 50 শতাংশ শক্তিও সঞ্চয় হয়। এনজাইম এর পরিবেশের উপর কম বা কোনো প্রভাব নেই বললেই চলে।তাই এটি দূষণকারী রাসায়নিকের একটি বিকল্প বলা যায়।
    এনজাইম ব্যবহার করে, টেক্সটাইল মিল এবং লন্ড্রিতে শক্তি, সময় এবং অর্থ বাঁচানো সম্ভব।২০১৮ সালে, বিভিন্ন জৈব-সমাধান যেমন ডিসাইজিং, বায়োস্কোরিং, ব্লিচ ক্লিন-আপ এবং কম্বিপলিশের মাধ্যমে, অনেক পানির ব্যবহার কমানো সম্ভব হয়েছিলো। এছাড়াও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ এর ব্যবহার হ্রাস করে একটি ভাল পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। জৈবিক এনজাইমিক দ্রবণ ব্যবহার করে পরিবেশ বান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ার পরিমান বাড়ানো সম্ভব।
    বাংলাদেশে আরএমজি সেক্টরের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে ভবিষ্যতে । তবে এটি এমনভাবে বাড়তে হবে, যা পোশাক খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকৃতিতে খারপ প্রভাব ফেলবে না।

    Source : https://www.thedailystar.com
    Habiba Akter Baly
    Ahsanullah University of Science and Technology
    Department of Textile Engineering
    (Batch-37)
    Semester : 3/2

    RELATED ARTICLES

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    - Advertisment -

    Most Popular

    Recent Comments