Home Life Style & Fashion Bold actions and necessary steps change about Fashion Marketing in textiles

Bold actions and necessary steps change about Fashion Marketing in textiles

ফ্যাশন শিল্প একটি উচ্চ ভিড়ের ও প্রতিযোগীতামূলক জায়গা। বর্তমান মহামারীতে ই-কমার্স আরো বেশি জনপ্রিয় হওয়ার কারণে ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো এখন আর ফুট-ট্রাফিক ও ইট-ও-মর্টার বিক্রির জন্য প্রতিযোগিতা করে না, বরং তার পরিবর্তে এখন এরা অনলাইনে গ্রাহকদের কাছ থেকে গভীর রাতের ক্লিক বা ভোরের ক্রয়ের জন্য প্রতিযোগিতা করছে। তাই আমরা বর্তমান পরিস্থিতি, ব্র্যান্ডের প্রতিযোগিতা ও মানুষের ব্যস্ততার কথা বিবেচনায় রেখে ৩৪টি ফ্যাশন মার্কেটিং টিপস সংকলন করেছি, যা অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য এবং আশা করছি এগুলো আপনার ব্র্যান্ডকে সর্বাধিক সফল ও জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করবে।

১. মহামারীতে করণীয় কাজগুলো:
• প্রতিরক্ষামূলক পোশাক: সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুচি ও চাহিদা তে আসে পরিবর্তন। ফ্যাশনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয় বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ প্রতিরক্ষামূলক পোশাকের উপর ফোকাস বেশ ফোকাস করছে। যেমন: antibacterial finish, special weaving/knitting technology. এজন্য আমরা silver zeolite, titan oxide, copper sulphonate etc ব্যবহার করতে পারি, যেগুলো আমাদের শরীরকে বাইরের জীবাণু থেকে প্রতিরক্ষা করবে।

• হোম ডেলিভারি সার্ভিস: লকডাউন থাকুক বা না থাকুক প্যানডেমিক সিচুয়েশনে মানুষ বাইরে যেয়ে জিনিস কেনার চেয়ে তা ঘরে বসে পেতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে।

২. আমাদের “RESTART process” অনুসরণ করা উচিত।
R= Re-cycling
E= Exchanging
S= Sustainability focused
T= Technical based clothing
A= Analysing the market
R= Re-design
T= To the point marketing

Exchanging Process: আমরা যদি এমন একটি প্রথার প্রচলন রাখি যে, বেশ কয়েকটি পোশাক কিনে আপনি এক বছর ব্যবহারের পর নতুনটির সাথে বিনিময় করতে পারবেন। এতে গ্রাহকদের ফেরত দেয়া পুরোনো কাপড়গুলোকে আবার নতুন রূপ দিতে পারি। এক্ষেত্রে একদিকে এটা recycle প্রক্রিয়াও।

Re-cycling Process: আমরা বেশি উৎপাদন করব আর বেশি অপচয় করব- তা আর নয়! আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও পরিবেশ দুটোর কথাই ভাবতে হবে। এতে আমরা আর্থিক ও পরিবেশগত দুদিক থেকেই লাভবান হব এবং আমাদের অপচয়ও হ্রাস পাবে।

Sustainability focused (Re-design production process): পোশাকের টেকসইয়ের উপর ফোকাস করার ক্ষেত্রে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে সামনে রেখে পরিবেশ বান্ধব প্রক্রিয়াটি কার্যকর করা উচিত। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে আমরা তাদের জানাতে পারি, কীভাবে আমাদের পণ্য পরিবেশ বান্ধব এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রকৃতির করে উৎপাদন করি।

৩. ব্র্যান্ডের সমস্ত প্রচেষ্টা ও কাজের সাথে ব্র্যান্ডের চেহারার সামঞ্জস্য বজায় রাখুন: সর্বাধিক সফল ও জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর ধারাবাহিক ভাবে থেকে যাওয়া একটি নিজস্ব স্টাইল রয়েছে, এক্ষেত্রে আমরা উদাহরণ হিসেবে ‘Ralf Lauren’কে ধরতে পারি। কারণ ব্র্যান্ডটি তার পুরো জীবনকাল ধরে সবকিছুতে সামঞ্জস্যতা রেখে এসেছে: নেভি ব্লু, হোয়াইট, রেড পলো প্রেপির মাধ্যমে , আর ঠিক একারণেই ক্লাসিক ফ্যাশন আউটফিটের কথা ভাবলেই সর্বপ্রথম এর নাম চলে আসে।

৪. আপনার সেরা বিক্রেতার উপর ফোকাস করুন: ফ্যাশন বিপণনকারীরা প্রায়ই new trends/style-এর উপর বেশি গুরুত্বারোপ করে থাকেন, যদিও এটা একটা সফল মার্কেটিং স্ট্যাটেজি তবু ভুলে যাওয়া উচিত না আপনার সেরা গ্রাহকরা কি বেশি পছন্দ করেছেন বা চাচ্ছেন।

৫. আপনার website-এ বিনিয়োগ করুন: আপনি জানেন কি- বেশিরভাগ ফ্যাশন মার্কেটার তাদের ওয়েবসাইটকে নিজের সন্তানের মতো ট্রিট করেন? যদি না জেনে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই এখন অবাক হচ্ছেন! যদিও এটা কিছুটা নাটকীয় মনে হতে পারে আপনার কাছে! তবে এর মূল কারণ হলো: ওয়েবসাইটের সামগ্রিক সাজসজ্জা, তথ্য ও সংগ্রহ একটি ব্র্যান্ডের সামগ্রিক প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে, অনেকটা কাইরাল কার্বনের মতো! আর একারণেই কোনো একটা ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটকে তার ‘virtual storefront‘ও বলা হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন আপডেট, রিসার্চ ও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা, ঠিক যেমনটা আপনি আপনার আফলাইনের দোকানগুলো উইন্ডো ভিউ সাজাতে ব্যবহার করতেন।
যেমন Gucci. গুচি খুব ভালো করেই জানে কিভাবে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাহকদের সর্বোচ্চ আকৃষ্ট করা যায়! অন্যান্য প্রতিযোগী লাক্সারি ব্র্যান্ডের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, গুচির ওয়েবসাইট ১১ মিলিয়ন বার আলোচনা করা হয় প্রতি মাসে- যা অন্যান্য প্রতিযোগী ব্র্যান্ডকে হার মানায়।

৬. আপনার ক্রেতাদের তাদের শপিং কার্ড সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন: আপনি কি জানেন, বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ৭০% ক্রেতারাই তাদের শপিং এর ক্ষেত্রে শপিং কার্ড ব্যবহার করছেন না? আমিও প্রায়শই তাদের মধ্যে একজন! কেননা প্রতিদিনই এনিয়ে অনেক বিভ্রান্তির মধ্যে পরতে হয়। এজন্য ই-মেইল ক্যাম্পেগেইন, রিমার্কেটিং অ্যাডস্ কিংবা সোশ্যাল রিমাইন্ডার সেটআপ করার মাধ্যমে ক্রেতাদের জানিয়ে দিতে পারেন তাদের শপিং কার্ডে কি আছে।

৭. ডিসকাউন্ট/সারপ্রাইজ গিফট অফার: অনেক সময় দেখা যায় যে, আপনার পছন্দের একটি ব্র্যান্ড ৫০% ডিসকাউন্ট কিংবা ২টো কিনলে ১টি ফ্রি- এমনসব চমৎকার কিছু উপহারের আয়োজন করল, তখন আপনি নিশ্চয়ই এসুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না! তাই এটাও একটা চমৎকার মার্কেটিং স্ট্যাটেজি হতে পারে। যেমন: শ্যানেল তাদের পণ্য সর্বাধিক কম মূল্য করা সত্ত্বেও এর সামগ্রিক ব্র্যান্ডের মান বৃদ্ধি পেয়েছে।

৮. নিজস্ব গাইডলাইন তৈরি করুন: আপনার ক্রেতাদের পছন্দ ও রুচি অনুযায়ী নিজস্ব কিছু গাইডলাইন তৈরি করুন- যা আপনার ক্রেতাদের তাদের কাঙ্ক্ষিত পণ্য বেছে নিতে সহায়তা করবে।

৯. যখনই সম্ভব ভিডিও ব্যবহার করুন: আপনি জানেন কি- ভিডিও ব্যবহারকারী মার্কেটাররা, যারা ভিডিও ব্যবহার করেন না তাদের থেকে ৪৯% দ্রুত আয় করেন? কারণ স্থির চিত্রের চেয়ে ডায়নামিক জিনিস মানুষের মনে বেশিদিন থেকে যায় এবং তা মানুষকে বেশি আকৃষ্টও করতে সক্ষম হয়। তাহলে আর দেরি কেন? এখন থেকেই আপনার সকল বিজ্ঞাপনে ডায়নামিক চিএ অর্থাৎ ভিডিও ব্যবহার করা শুরু করে দিন।

১০. ইউটিউবে চ্যানেল খুলুন: ধরে নিলাম, ইতোমধ্যে আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ভিডিও ব্যবহার করা শুরু করেছেন। তাহলে আপনি কি এখন চাবেন না সম্পূর্ণ নতুন দর্শকদের সামনে আপনার প্রচেষ্টাকে তুলে ধরতে? কেননা বেশিরভাগ ফ্যাশন সচেতন মানুষেরা নিত্য নতুন ফ্যাশন আইডিয়া পেতে YouTube এ সার্চ করেন। এটা আপনার কাঙ্খিত গ্রাহকদের ক্যাপচার করার ক্ষেত্রেও অসাধারণ একটা বোনাস পয়েন্ট হতে পারে!

১১. একটি কোয়ালিফাইড ব্লগ ওয়েবসাইট চালান: আপনার ব্র্যান্ডের নিয়মিত শ্রোতাদের সাথে তথ্য ভাগ করে নিতে ব্লগের গুরুত্ব অতুলনীয়। সেই সাথে এটি আপনার ব্র্যান্ডের আনুগত্য শ্রোতাও তৈরি করবে! যারা তাদের বিভিন্ন রকম কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে যোগাযোগ রাখবে। তাই অবশ্যই এক্ষেত্রে আপনার ব্লগুলোকে SEO করতে ভুলবেন না।

১২. সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্লগারদের সাথে পার্টনারশিপ স্থাপণ করুন: যদিও এটি কোনো নতুন মার্কেটিং স্ট্যাটেজি নয়, তবু খুবই কার্যকরী একটি মার্কেটিং স্ট্যাটেজি হওয়ায় বেশিরভাগ ফ্যাশন মার্কেটাররা এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ব্যান্ডের প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাঝে ভাগ করে দেয়ার মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন এবং এক্ষেত্রে তাদের ফলোয়ার বাড়ার সাথে সাথে আপনার ব্র্যান্ডের অনুসারীদের সংখ্যাও বাড়বে।

১৩. আপনার স্থানীয় স্টোরগুলোর সাথে পার্টনারশিপ গড়ে তুলুন: এই পদ্ধতিটি আপনার পণ্যগুলোকে অফলাইনে নিয়ে যেতে এবং নিজ সম্প্রদায়ের সাথে পরিচয় করাতে সাহায্য করবে।

১৪. ব্র্যান্ড সমর্পিত যেকোনো কিছুতে Hashtag ব্যবহার করুন: আপাত দৃষ্টিতে এটি আপনার কাছে অহেতুক ও অকার্যকর পদ্ধতি মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা সত্যিই এর উল্টো। কারণ হ্যাশট্যাগের ব্যবহার এক ব্র্যান্ডের সাথে অপর ব্র্যান্ডের প্রতিযোগিতা নির্ধারণ করে। সেই সাথে এটি অনেক মানুষের কাছে আপনার ম্যাসেজ পৌঁছাতে এবং তাদেরকে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।

১৫. যেকোনো জায়গায় re-market স্থাপন করুন: যেকোনো জায়গায় পুনরায় মার্কেট স্থাপন আপনার হারিয়ে যাওয়া ক্রেতাদের পুনরায় ক্যাপচার করতে সহায়তা করবে, যারা হয়তো কোনো কারণে চলে গিয়েছিল। তাই আমি আপনাকে বলব, অবশ্যই পুনরায় এই পদ্ধতিটি কাজে লাগান।

১৬. Carousel বিজ্ঞাপনগুলো ব্যবহার করুন: আশা করা যায়, ইতোমধ্যে Instagram, Facebook, Twitter-এর মতো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আপনার ব্র্যান্ডের উপস্থিতি রয়েছে। এ মিডিয়াগুলোর সর্বোচ্চ কার্যকর ভাবে ব্যবহার করার উপায় হলো সেরা বিজ্ঞাপন ফরম্যাটগুলো বেছে নেয়া। যে বিজ্ঞাপনে ম্যাগাজিন শৈলীর বিন্যাসে বেশ কয়েকটি চিএ প্রদর্শন করে তাকে carousel ads বলে। তাই এগুলোকে ‘mini guidelines’ও বলা চলে।

১৭. Collected ads চালান: আপনি জানেন কি- Facebook, Instagram এ সাইন ইন অর্থাৎ গ্রাহকদের মূল্যবান অ্যকাউন্ট ছাড়াও তারা এখান থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারবেন কিছু বিজ্ঞাপন দেয়া লিংকে ক্লিক করে? একেই বলে collected ads.

১৮. নিয়মিত স্টোরি দিন: আপনার টার্গেটেট কাস্টমারদের সাথে বন্ড তৈরি করতে Facebook, Instagram, Snapchat এর মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কেবলমাত্র ২৪ ঘন্টা স্থায়ী হয় এমন স্টোরি আপলোড দিন।

১৯. সামাজিক প্রতিযোগিতা চালু করুনঃ
আপনার টার্গেটেট গ্রাহকদের একটি নতুন সেট আপনার সামনে তুলে ধরতে এবং আপনার ব্র্যান্ডের সাথে তাদের জড়িত করতে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিযোগিতা একটি দূর্দান্ত উপায়। একটি প্রতিযোগিতায় কয়েক বন্ধুকে ট্যাগ করা, আপনার পোস্ট শেয়ার করা, আপনার ব্র্যান্ডের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা এমন টাইপ অথবা আপনি এটাকে আরো জটিল করে তুলতে পারবেন যে আপনার ব্র্যান্ড থেকে শপিং করে তার রিভিউ দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগী সিলেক্ট করবেন।

২০. Email এর মাধ্যমে মার্কেটিং এর প্রসার ঘটান: ই-মেইলের মাধ্যমে মার্কেটিং যেকোনো বিজনেসের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী একটি পদ্ধতি। আপনার ব্র্যান্ড বিশেষ দিবস উপলক্ষে যে অফারগুলোর আয়োজন করে কিংবা আপনার নতুন কালেকশন, স্টক ইন, স্টক আউট হয়েছে সে সম্পর্কে গ্রাহকদের সরাসরি জানাতে স্ট্রং ই-মেইল প্রচারণার প্রসার ঘটান।

২১. A/B বিজ্ঞাপন পরীক্ষার প্রসার: যে পদ্ধতির মাধ্যমে খুবই simple ও effective way-তে best audience- দের সনাক্ত করা সম্ভব, তাকে A/B test ad copy বলে। যা সময় ও শ্রম দুটোই কমিয়ে আপনার ফ্যাশন মার্কেটিংকে এর নতুন স্তরে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

২২. ছুটির দিনের প্রচারণাগুলোর জন্য অগ্রিম পরিকল্পনা: হোক সেটা ঈদের মতো হাইপ-আপ ছুটি কিংবা ভ্যালেন্টাইনস ডের মতো হলমার্কের ছুটি, কারণ ছুটির মৌসুম মানেই বিক্রিয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই এই ব্যাস্ত সময়ে সর্বাধিক বিক্রির মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে আগে থেকেই পরিকল্পনা শুরু করে দিন।

২৩. বিজ্ঞাপন দেয়ার ক্ষেত্রে সময়সূচীগুলোর সুবিধা নিন: আপনি জানেন কি- গুগল বিজ্ঞাপন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন, কখন অনলাইন মার্কেটিং প্রচারাভিযান চালালে বেশি সংখ্যক শ্রোতাদের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন? তাই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জেনে নিন আপনার ক্রেতারা কখন অনলাইনে বেশি সক্রিয় হতে পারে সেই সময় এবং এই সময়ের সদ্ব্যবহার করুন।

২৪. সবসময় অনুপ্রাণিত করুন আপনার হেপি কাস্টমারদের testimonials লিখতে: অনেক সময় অবাঞ্চিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে ক্রেতারা রিভিউ দেখে কেনার সিদ্ধান্ত নেন, এজন্য আপনার কাস্টমারদের প্রশংসা পত্র লিখতে অনুপ্রাণিত করুন।

২৫. টিভিতে প্রচারণাভিযান চালান: শুরুটা স্থানীয় টিভি থেকে করে আপনার প্রচারাভিযানকে আরো ইফেক্টিভ করতে PR প্রফেশনাল নিয়োগের কথা বিবেচনা করুন, এতে আপনার সঠিক সংযোগ তৈরি হবে।

২৬. Google Shopping Network (GPN) এর সহায়তা নিন: আমাদের কারোরই অজানা নয় যে, গুগল সর্বাধিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন এবং বেশিরভাগ মানুষ যে কোন কিছুর সন্ধানে সর্বপ্রথম গুগলে সার্চ করে। তাই বিপুল সংখ্যক প্রয়োজনীয় দর্শক হাতছাড়া না করতে আপনি গুগল শপিং নেটওয়ার্কের সদ্ব্যবহার করুন এবং সেখানে আপনার ব্র্যান্ডের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

২৭. গুগোল ডিসপ্ল ads প্রচার করুন: সময় দেখা যায় যে মানুষে গুগলে কোন কিছু সার্চ দেওয়ার সময় কিংবা কেনাকাটা সময় আকর্ষণীয় অনলাইন বিজ্ঞাপন দেখে কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পছন্দ করেন। এর সহায়তায় গুগোল ডিসপ্লে ads এর মাধ্যমে প্রচার অভিযান শুরু করুন।

২৮. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত দর্শকদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন: ‌এটা হতে পারে আপনার মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ। আপনি যদি জানতে পারেন, আপনার টার্গেটেট অর্ডিয়েন্সের কোন জিনিসের প্রতি বেশি আগ্রহ তাহলে সেগুলো নিয়েই বেশি কাজ করেন।

২৯. আপনার বিষয়বস্তুগুলোকে অফলাইনে নিয়ে যেতে Guerilla বিপণনের সহায়তা নিন:
ইতোমধ্যে আমরা অনলাইন মার্কেটিং কৌশল নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি। তাহলে আপনি কেন আপনার পণ্য সামগ্রীকে অফলাইন বা রাস্তায় নিবেন না? এক্ষেত্রে আপনার playbook-এ কিছু গেরিলা বিপণন প্রচার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এগুলো আপনার দর্শকদের মনে অনেক অনুপ্রেরণা ও কৌতুহল সৃষ্টি করতে সহায়ক হবে।

৩০. জনপ্রিয় জায়গায়গুলোতে ফ্যাশন শো চালানঃ
আপনার ব্র্যান্ডের জিনিসগুলোকে অফলাইনে নেয়ার ক্ষেএ তৈরি করতে দুর্দান্ত উপায় হলো একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ কিংবা পর্যটন স্পটে ফ্যাশন শো হোস্ট করা।

৩১. আপনার brand এর পোষাক পরিধান করতে পছন্দ করে এমন celebrity দের খুঁজে বের করুনঃ
সেলিব্রিটিরা আপনার ব্র্যান্ডের পোশাক পরিধান করেছে এমন কোনো ছবি বা ভিডিও ক্লিপ যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেন, তাহলে তা খুব সহজেই অন্যের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হবে, কেননা অনেক মানুষই আছে যারা তাদের পছন্দের celebrity দের follow করে। এক্ষেত্রে আপনি কোনো PR professional এর সহায়তাও নিতে পারেন।
৩২. আপনার অর্ডিয়েন্সের emotion এর প্রতি গুরুত্ব দিনঃ আপনার কাস্টমারদের সাথে একটি মানসিক সংযোগ তৈরি করতে এমন কিছু product তৈরি করুন যাতে আপনার audience রা তা দেখে happiness, clam or nostalgia feel করে।

৩৩. সামাজিক মিডিয়াতে অবকাঠামো এবং পটভূমি তৈরি করা: সংস
কোম্পানীর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে যে, যদি কভার ফটোটি কোম্পানির লোগো সম্পর্কিত কিছু হয় এবং যদি তারা নিয়মিত পোস্ট করে, story আপলোড করে তবে তাদের বন্ধুরা এবং অনুসারীরা খুব সহজেই জানতে পারবেন এ সম্পর্কে।

৩৪. ভালো কিছুতে জড়িত হওয়া: আপনি মানুষের সাথে শেয়ার করতে পারেন, আমাদের বিক্রয়কৃত পণ্যের মোট অর্থের কিছু শতাংশ Covid এ আক্রান্ত রোগী, নিম্ন আয়ের, গৃহহীন, বস্ত্রহীন মানুষের সাহায্যে যাবে। এটাও একটা মার্কেটিং স্ট্যাটেজি হতে পারে।

সর্বোপরি, প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতিতে টিকে থাকার জন্য এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে সমস্ত ধরণের কাজ করে সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা না করা ভালো। এভাবে আপনার একক কাজে দক্ষতা দেখানোর প্রয়োজন নেই এবং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে অদক্ষ লোকদের না জড়ানোই ভালো।

Source: wordsteam and

Muhammad Naime

Research Assistant (TES)

Team AUST

Writer Information:

Tazim Sultana Nandita

Ahsanullah University of Science and Technology (AUST)
Dep. of Textile Engineering (Batch-40)
1st year 2nd semester

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Post

Most Popular

Related Post

Related from author

error: Content is protected !! Don\\\\\\\\\\\\\\\'t Try to Copy Paste.